কায়িক পরিশ্রমের পরীক্ষা
বিসিএস পরীক্ষায়...... যারা ধান কাটতে পারে, বোঝা বাইতে পারে, হাল বাইতে পারে, শস্য চারা রোপণ করতে পারে এবং বিভিন্ন প্রকার কায়িক পরিশ্রম করতে পারে সেইসব প্রার্থীদেরদের অঅগ্রাধিকার দেয়া হোক।
বিসিএস পরীক্ষা হোক চারটি ধাপে
১.প্রিলি
২.রিটেন
৩.ভাইভা
৪.কায়িক পরিশ্রমের দক্ষতা ও নানা প্রকার স্কিল।
তাহলে অনেকেই স্টাডির ফাঁকে ফাঁকে দামী জুতা আর জিন্সের প্যান্ট খুলে মাঠে নামবে কাজ করার জন্য।
তখন আর কাজের লোকের অভাব হবে না।
ব্যামের জন্য জিমনিসিয়ামে ভর্তি হতে হবে না।
স্বাস্থ্য এমনিতেই ভালো হয়ে যাবে। কাজও হবে, ব্যয়াম ও হবে। ব্যায়ামের জন্য আলাদা সময়েরও অপচয় হবে না।
তাহলে জিন্সের প্যান্ট পরা বাবু শ্রেণি কিছুটা কমবে।
অর্থনীতির অসম বন্টনের কারণে এই অবস্থা।
দেশের যে কোন উন্নয়ন কাজে হরিলূট শুরু হয়ে যায়।
মোট বাজেটের কত পার্সেন্ট কাজে লাগে আল্লাহই ভালো জানেন। অতচ বাজেট অনুযায়ী কর ঠিকই আদায় করা হয় বড় বড় ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান হতে। আর তারা চাপিয়ে দেয় সাধারণ জনগণের উপর।
সরকারি ও অন্যান্য চাকরি জীবিদের নো টেনশন, তারা আন্দোলন করে বেতন বাড়িয়ে নিতে পারে।
আর জিন্সের প্যান্ট পরা বাবু শ্রেণির লোকের অভাব নাই দেশে।
মাঠে কাজ করা লোকের বড়ই অভাব। জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়ে বেকার বাড়ছে। এখন মাঠে কাজ করলে ইজ্জত যায়। গুটিকয়েক শ্রমিকদের হাতে পুরো কৃষি ব্যবস্থা। তারা তো বেশি পারিশ্রমিক চাইবেই!!!
দেশে বুদ্ধিজীবির অভাব নাই। কাজের লোকের অভাব। অতচ কৃষির আধুনিক যন্ত্রপাতি সম্পর্কে অনেকে কৃষক জানেই না।
যে দ্রব্যের দাম একবার বাড়ে তা আর কমে না।
সময় এখন সরকারি চাকরিজীবী আর ব্যবসায়ীদের
পক্ষে।
অর্থনীতির সুষম বন্টন না হলে অরাজকতা বাড়তেই থাকবে।
সারের মূল্য, কীটনাশক এর মূল্য, আর নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য কোন কিছুই ধানের মূল্যের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
একমণ ধান বেছে এখন একটা ভাল লুংগী, একটা ভালো টিশার্ট কিনা যায় না
খুব কষ্ট লাগলো খাদ্যশস্য নষ্ট হওয়া দেখে
এই পোস্ট খুব কম লোকেরই ভালো লাগবে
No comments
Post a Comment