সুতাবুড়ির উৎস
যদিও বিষয়টা নতুন কিছু নয়। অনেক আগেই হয়তো বিষয়টা অনেকেই উদঘাটন করে থাকবেন । কিন্তু সেই উদঘাটিত বিষয়টা তৎকালীন সময়ে আমাদের কারও জানা ছিল না । তাই সুতাবুড়ি নিয়ে নানা মিথ প্রচলিত ছিল । অনেকেই এটিকে মা মাতেমার চুল বলত । আমরা বাল্যকালে এমনটাই শুনেছি । আজ থেকে ১৫ বছর আগের কথা । আমি একটি ব্রীজের উপর বসে থেকে বন্যার দৃশ্য উপভোগ করছিলাম । ব্রীজের দেয়ালে অসংখ্যা মাকড়াসার কিশোর বাচ্চাগুলো জাল বুনেছিল । আর দৌড়াদৌড়ি করছিল । আমি সেগুলো ভেঙে একসাথে জড় করলাম । দেখলাম সেগুলো সুতাবুড়ি হয়ে গেল । তারপর সিদ্ধান্তে উপনীত হলাম যে সুতাবুুড়ি মাকড়াসার জাল থেকে তৈরি হয় । তখন ইন্টারনেটর যুগ ছিল ছিল না তাই গুগলে সার্চ করে এটাও জানা সম্ভব ছিল না যে এই তথ্যটা আরো কেউ জানে কিনা । এ তত্ত্বটি নিজে অনুধাবন করতে পেরে বেটার ফিল করছিলাম । গ্রীষ্মকালে ধান কাটা ক্ষেতে ও বড় গাছে জ্বাল বাধে মাকড়াসা । আর সেগুলো মৌসুমি বায়ু জড় করে বাতাসে উড়িয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যায় যাকে আমরা সুতাবুড়ি বলা হয় । কিছুটা বাস্তববাদী লোকসমাজ এটাকে শিমুল তোলা থেকে উৎপত্তি হয় বলে মনে করে । কিন্তু তখন আমি এই মতের দ্বিমত পোষণ করে এই আইডিয়াটা আমি অনেকের কাছে শেয়ার করেছি কিন্তু কেউ ব্যাপারটি পাত্তা দেয়নি । অভিব্যক্তি দেখে অনুমান করা যায়, হয়তো অনেকে ভেবেছেন যে আমি নিজের দাম বাড়ানোর এমনটা বলছি । রঙ্গেমঞ্চে চড়ে বক্তৃতা না দিলে কেউ শুনে না ।
No comments
Post a Comment